সদ্য প্রাপ্ত

অন্তঃসত্ত্বাকে জেলে পাঠানোর শাস্তি পেলেন নওয়াজ

Spread the love

সুপ্রিম কোর্ট অযোগ্য ঘোষণার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন নওয়াজ শরীফ। পানামা কেলেঙ্কারির জেরে শুক্রবার আদালত তাকে অযোগ্য ঘোষণা করেন। এরপর থেকে দেশটিতে নওয়াজ শরীফের রাজনৈতিক বিরোধী শিবির নেচে-গেয়ে উৎসব করছে। এই তালিকায় শামিল হলেন পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ও তেহেরিক-ই ইনসাফ পার্টির প্রধান ইমরান খানের প্রাক্তণ স্ত্রী জেমিমা গোল্ডস্মিথ।

ব্রিটিশ এই সাংবাদিক নওয়াজ শরীফকে সরিয়ে দেওয়ার পর সিরিজ টুইটের মাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

শুক্রবার জেমিমার প্রথম টুইট, ‘বিদায় নওয়াজ বিদায়’। এরপরই তিনি লেখেন, ‘পাকিস্তানের কোনো গণতান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করতে পারেননি। ইনশাআল্লাহ পরবর্তীজন এটা পারবেন।’

পরবর্তী ব্যক্তি বলতে জেমিমা তার প্রাক্তণ স্বামীকেই ইঙ্গিত করেন এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে ইমরান খান জিতবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

তবে জেমিমার সর্বশেষ টুইটেই আসে চমক। নিজের প্রতি নওয়াজ আমলের একটি ঘটনা স্মরণ করে তার কড়া সমালোচনা করেন তিনি।

জেমিমা লেখেন, ‘উত্তম জবাব পেয়েছেন লোকটি (নওয়াজ শরীফ), যিনি অন্তঃসত্ত্বা (দ্বিতীয় সন্তান) অবস্থায় চোরাকারবারের অভিযোগ এনে অজামিনযোগ্য মামলায় আমাকে জেলে পাঠানোর চেষ্টা করছিলেন।’

১৯৯৯ সালে জেমিমার বিরুদ্ধে এই মামলা হয়। তখন তিনি ইমরান খানের স্ত্রী এবং নওয়াজ শরীফ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

ওই মামলা সূত্রে জানা যায়, জেমিমা ১৯৯৮ সালে লন্ডনে তার মায়ের কাছে ৩৯৭ পিস টাইলস পাঠাচ্ছিলেন। সেটি প্যাকেট করার সময়ই কাস্টমস আটকে দিয়েছিল।

পরে এই মামলায় ১৯৯৯ সালে অভিযোগ গঠনের পর আদালত জেমিমাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার রুপি জরিমানার আদেশ দেন।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ