সদ্য প্রাপ্ত

৪৩ কেজি স্বর্ণসহ চোরাচালান চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

Spread the love

।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

ঢাকা ক্রাইম ডটকম: মানিকগঞ্জ থেকে ৪৩ কেজি অবৈধ স্বর্ণসহ আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের ৫ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। আটককৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৮ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (০৪ অক্টোবর), বিকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. অানোয়ার উজ জামান।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ইয়াহইয়া আমিন (৪২), শেখ আমিনুর রহমান (৩৭), মো. মনিরুজ্জামান রনি (৩৫), শেখ জাহিদুল ইসলাম (৩৩) ও মো. জহিরুল ইসলাম।

অানোয়ার উজ জামান বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চোরাচালানকারী চক্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বর্ণ চোরাচালানের নিরাপদ রুট হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করে আসছে। এই সব চোরাচালানকারী চক্রকে আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব-২-এর একটি বিশেষ দল গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় অাজ (৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে র‌্যাব-২-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক হয়ে স্বর্ণ পাচারকারী চক্রের কিছু সদস্য ঢাকা থেকে অবৈধ স্বর্ণ কৌশলে বহন করে বেনাপোল যাচ্ছে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের দলটি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মানিকগঞ্জের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে অভিযান শুরু করে।অভিযান চলাকালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে ওই চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক বলেন, এই চক্রের ৫ সদস্যকে আটকের পর তাদের দেহ তল্লাশি করে অভিনব পন্থায় কোমরে কালো বেল্টের ভেতরে লুকানো অবস্থায় ২৪৩টি স্বর্ণের বার ও ১৫টি মোবাইল সাইজের স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই তারা স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, এই চক্রের একজন মাস্টারমাইন্ড শেখ জাহিদুল ইসলাম। আর বাকি সবাই ক্যারিয়ার (বহনকারী) হিসেবে কাজ করে। বাকিরা একটি চালানের জন্য ১০-১২ হাজার টাকা পেতেন। চক্রের মাস্টারমাইন্ড জাহিদুল ইসলাম যশোরের ঝিকরগাছা থানার শংকরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের সুকন্যা টাওয়ারের ১১-জি ফ্ল্যাটে বসবাস করছিলেন। গত দেড় বছরে তিনি অন্তত ২০০টি চালান পৌছে দেন। এ ছাড়া আটক আসামি ইয়াহইয়া আমিন সৌদি প্রবাসী ছিলেন। তিনি গত ছয় মাস আগে দেশে ফিরেন এবং জাহিদুলের মাধ্যমে স্বর্ণ চোরাচালান ব্যবসায় জড়িত হন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে র‍্যাব-২-এর সিও বলেন, স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের মূল হোতাদের গ্রেফতারে আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি। অনেক সময় তাদের সঙ্গে রিকভারি থাকে না বিধায় গ্রেফতার সম্ভব হয় না। এর জন্য তাদের নামে মানি লন্ডারিংয়ের মামলা করা হচ্ছে। সে অনুযায়ী আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ