সদ্য প্রাপ্ত

আইন না মানার সংস্কৃতিই সড়ক দূর্ঘটনার মূল কারন: ডিএমপি কমিশনার

Spread the love

।। মো. মাহমুদ হোসাইন।।

ঢাকা ক্রাইম ডটকম : সড়কের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশের প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতার কোন ঘাটতি নেই। তারপরও আইন না মানার প্রবণতার ফলে সব চেষ্টা বিফলে যাচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সকল পর্যায়ের সকলকে আইন মানার অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

গতকাল শনিবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (এফডিসি) মিলনায়তনে ‘সড়ক দূর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকের সতর্কতা’ শীর্ষক আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সকল পর্যায়ে আইন না মানার সংস্কৃতিই সড়ক দূর্ঘটনার অন্যতম কারন। সড়ক দূর্ঘটনা এই শহরে এই মূহুর্তের বার্নিং ইস্যু। এ দূর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন হলো। এরপর আমরা ১০ দিন ব্যপী ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করেছি, গত সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে রাজধানীতে ট্রাফিক সচেতনতা মাস পালন করেছি’।

তিনি অারো বলেন, যাত্রী-পথচারীদের সচেতনতা এবং ভৌত কাঠামো একটি বড় বিষয়। তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনির যে স্থানে দূর্ঘটনার স্বীকার হয়েছিলেন সে স্থানটি ছিল দেশের অন্যতম দূর্ঘটনা প্রবণ এলাকা। কারণ সড়কের ওই স্থানটিতে বাঁক থাকার কারণে অপর পাশের যানবাহন দেখা যেতো না। পরবর্তিতে সড়কটিকে সোজা করা হয়, যার ফলে ওই স্থানের ৯৫ শতাংশ দূর্ঘটনা কমে গেছে। এ থেকে বুঝা যায়, ওই স্থনটিতে দূর্ঘটনার জন্য চালকরা দায়ি নয়, এর জন্য দায়ি ছিল সড়ক ইঞ্জিনিয়ারিং’।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের হাইওয়ে সড়কগুলোকে সাধারনত আঞ্চলিক সড়ক বলা যায়। কারণ একই সড়কে দূরপাল্লার যানবাহন যেমন চলে সেই সড়কেই নসিমন, করিমন, ভটভটি লক্কর-ঝক্কর যান চলাচল করে। একই সড়কে ৮০ কিলোমিটার গতির যানবাহন চলে আবার ৫ কিলোমিটার গতিরও যানবাহন চলে। এটিও মহাসড়কে দূর্ঘটনার অন্যতম কারণ।

কিন্তু ওভারটেকিংয়ের কারণে যে দূর্ঘটনা ঘটে সেখনে চালকের অসচেতনতা, নির্বুদ্ধিতা ও অদক্ষতাই দায়ি। চালকদের প্রশিক্ষিত করার জন্য দেশে এখনো কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি এবং তাদেরকে পর্যাপ্ত লাইসেন্স সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়নি যা দূর্ভাগ্যজনক।

ছায়া সংসদে সরকারি দল সড়ক দূর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকের সচেতনতার উপর জোর দেন এবং এ সংক্রান্ত একটি বিল সংসদে উত্থাপন করেন। তবে বিরোধীদল এর বিরোধীতা করে শুধুমাত্র চালকদের সচেতনাতেই সড়ক দূর্ঘটনা রোধ সম্ভব নয় বলে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন।

দুই দলের যুক্তি উত্থাপন শেষে বিচারকরা বিরোধী দল অর্থাৎ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজিকে বিজয়ী ঘোষণা করে।

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে এই ছায়াসংসদের আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। ছায়া সংসদে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি সরকারি দল ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি বেসরকারি দল হিসেবে অংশ নেয়।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ