প্রশ্নপত্র ফাঁস : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা

Spread the love

।। মো. মাহমুদ হোসাইন।।

ঢাকা ক্রাইম ডটকম: মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত পাঁচজনের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার কালাম গাজীর ছেলে কাউসার গাজী (১৯), চাঁদপুরের মতলবের জাকির হোসেনের ছেলে সোহেল মিয়া (২১), মাদারীপুরের কালকিনির হাসানুর রশীদের ছেলে তারিকুল ইসলাম শোভন (১৯), নওগাঁর পত্নীতলার আলমের ছেলে রুবাইয়াত তানভির (আদিত্য), টাঙ্গাইলের কালিহাতীর আনসার আলীর ছেলে মাসুদুর রহমান ইমন।

১১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের বিশেষ পুলিশ সুপার মোল‍্যা নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এ প্রশ্ন ফাঁসকারী প্রতারণা চক্রের মাস্টার মাইন্ড কাউসার গাজীকে গ্রেফতার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানাই, বর্তমানে তারা প্রশ্ন ফাঁস করতে না পেরে নিজেদের মতো প্রশ্ন তৈরি করে। এরপর বিভিন্ন ফেক ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে ১০০ ভাগ গ্যারান্টি- এমন প্রচারণা চালিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে বিক্রি করে আসছিল।’

নজরুল ইসলাম জানান, মাস্টার মাইন্ড কাউসার গাজীকে এ কাজে সহযোগিতা করত তার বন্ধু সোহেল মিয়া। সে অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ভুয়া বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে টাকা লেনদেন করত।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সিআইডিকে আরও জানান, তারা দীর্ঘদিন এ প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাজ করে আসছে। কিন্তু এবার প্রশাসনের তৎপরতায় প্রশ্নপত্র ফাঁস করতে পারেনি। কিন্তু ভুয়া প্রশ্নপত্র তৈরি করে ১০টি ফেক ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মেডিকেলের প্রশ্ন পাওয়ার প্রচারণা চালায়। তারা ফেক প্রশ্নপত্র তৈরি করতে বিভিন্ন সাজেশন বই, বিগত বছরগুলোর প্রশ্নপত্র একত্রে করে একটি ভুয়া প্রশ্নপত্র তৈরি করে।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম টিম গতকাল (১০ অক্টোবর) রাজধানীর কাজলা পার, দনিয়া ও যাত্রাবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে দুটি মোবাইল ও একটি বিকাশ রেজিস্ট্রার খাতাসহ দু’জনকে গ্রেফতার করে। একই দিন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৯টার দিকে বাড্ডা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে আলিফ নগর এলাকা থেকে ৩ জনকে তিনটি মোবাইল ও দুটি ল্যাপটপসহ গ্রেফতার করা হয়।

বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম বলেন, তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যে মামলা হয়েছে সেটি তদন্তধীন আছে। আমরা আশা, করি এ প্রতারক চক্রের আরও কতিপয় সদস্যকে আমরা গ্রেফতার করতে পারব।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ