স্ত্রী নির্যাতন মামলায় মানবাধিকার কর্মকর্তা কারাগারে

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক,  রাজশাহী : যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন মামলায় জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা ইউএনএইচসিআর এর সহযোগী ওয়াশ কর্মকর্তা এবিএম সাদিকুর রহমান সোহেলকে কারাগারে পাঠিয়েছে রাজশাহীর একটি আদালত। সাদিকুর বর্তমানে কক্সবাজারে কর্মরত আছেন।

বুধবার বিকেলে আদালতের নির্দেশে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। রাজশাহী নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের (০১) বিচারক মনসুর আলম তার জামিন আবেদন নাকোচ করে কারাগারে পাঠানোর এই নির্দেশ দেন।

এর আগে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের অস্থায়ী জামিনে ছিলেন এবিএম সাদিকুর রহমান সোহেল। সম্প্রতি তার সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হয়। পরে আরও সাতদিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। অবশেষে বুধবার রাজশাহীর আদালতে হাজির হয়ে স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন।

কিন্তু উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোজাফফর হোসেন সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, রাজশাহীর বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহমেদ বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার কর্মকর্তা এবিএম সাদিকুর রহমান সোহেলের গ্রামের বাড়ি বাগমারার ভবানীগঞ্জে। খালাতো বোন সানজিদা মুনমুন লিপির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের পাঁচ বছরের একটি ছেলে রয়েছে। যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে তার স্ত্রী সানজিদা বাদী হয়ে গত ৯ জুলাই থানায় নারী নির্যাতন (ধারা ৩০ এর ১১-গ) মামলা করেন। মামলায় তার শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদকেও আসামি করা হয়েছে।

তবে তারা জামিনে আছেন। একই মামলায় কেবল হাইকোর্ট থেকে জামিনে ছিলেন সাদিকুর। জামিনের মেয়াদ শেষে নিম্ন আদালতে বুধবার আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর হয়। পরে আদালতের বিচারক অভিযুক্ত সাদিকুরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ওসি নাসিম আহমেদ জানান, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তার স্ত্রী এ ঘটনায় চিকিৎসা নিয়েছেন। তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থানায় জমা দিয়েছেন। তাই তদন্ত শেষ হলেই আদালতে মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে বলেও জানান বাগমারা থানার এই পুলিশ কর্মকর্তা।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ