যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল থেকে ২৫ লাখ টাকা জব্দ করেছে দুদক

Spread the love

।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

এসএসসি পরীক্ষা- ২০১৯ এর পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণ বাবদ অতিরিক্ত ফি বেআইনিভাবে গ্রহণ করে তা শিক্ষকের ব্যক্তিগত একাউন্টে রাখা হচ্ছে এবং বিশেষ ক্ষেত্রে টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অর্থের বিনিময়ে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হচ্ছে — দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন-১০৬) এমন এক অভিযোগ পেয়ে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুলে অভিযান চালিয়েছে দুদক। মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী’র নির্দেশে দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট আজ এ অভিযান চালায়।

দুদকের সহকারী পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম-এর নেতৃত্বে উপসহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম ও পুলিশসহ ৬ সদস্যের একটি টিম অভিযানে অংশগ্রহণ করে।

২০১৯ সালের আসন্ন এস.এস.সি পরীক্ষায় যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুলের পরীক্ষার্থী ৬৩৭ জন। তবে এসব শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকা বেশি নেয়ার প্রমাণ পায় দুদক টিম।
অতিরিক্ত আদায়কৃত এসব অর্থ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নাসরীন নাহার-এর যৌথ নামে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লি., যাত্রাবাড়ী শাখায় গচ্ছিত রাখা হয়।

তবে দুদক টিমের অভিযানের মুখে স্কুল কর্তৃপক্ষ এই অর্থ শিক্ষার্থীদের আবারও ফেরত দেয়ার অঙ্গীকার করেছে। তারা লিখিতভাবে বলেছে, বেআইনিভাবে আদায়কৃত ২৫ লাখ টাকা ফেরত প্রদান করা হবে।
আগামী ২৫ ও ২৬ নভেম্বর দুদকের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের কাছে এসব অর্থ ফেরত দেবে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

এ অভিযান পরিচালনা প্রসঙ্গে এনফোর্সমেন্ট অভিযানের সমন্বয়কারী দুদক মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, দুদক জনগণকে তাৎক্ষণিক সুফল দিতে চায়। এ লক্ষ্যে দুদক মাঠে অভিযান চালাচ্ছে। দায়ী শিক্ষকবৃন্দের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবে দুদক।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ