অভিযানের মধ্যেও গোপনে চলছে মাদক ব্যবসা!

Spread the love
।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
ঢাকা ক্রাইম ডটকম: রাজধানীসহ দেশব্যাপী চলছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। ইতোমধ্যে পুলিশ ও র‌্যাব দেশব্যাপী মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হচ্ছে ভয়ানক মাদক ইয়াবা, গাঁজা, ফেন্সিডিলসহ অন্যান্য মাদক দ্রব্য। মাদক ব্যবসায়ীরা এতোটাই বেপরোয়া যে পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতেও দ্বিধা করছে না। অব্যাহত অভিযানের মধ্যেও রাজধানীর মিরপুরের দুইটি এলাকায় গোপনে মাদক দ্রব্য বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় তাদের ছোঁড়া গুলিতে আহত হয়েছে র‌্যাব-পুলিশের সদস্য। প্রশিক্ষিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জান-মাল রক্ষায় ছোঁড়া পাল্টা গুলিতে আহত-নিহতও হচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা। উদ্ধার করা হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্রসহ মাদক দ্রব্য। কিন্তু এরই মধ্যে গোপনে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক দ্রব্য। এর মধ্যে রাজধানীর কাফরুল থানা এলাকার ইব্রাহীমপুরের ঈদগাহ রোডের টিনশেড বাসায় (মসজিদের পাশে) মাদক দ্রব্য বিক্রি করছে স্থানীয় সেলিম নামের এক ব্যক্তির সহযোগিরা। এছাড়াও কাফরুল এলাকায় স্থানীয় মুরগী কাওসারের ছোট ভাই ও স্থানীয় ফারুক নামের এক ব্যক্তি মাদক ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে।
অপরদিকে, ভাষানটেক থানা এলাকার ৩ নং বস্তিতে স্থানীয় মরিয়ম, চাঁদনী, পারভীন নামের তিন নারী মাদক বিক্রি করছে। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে ডালিয়া নামের এক নারী। ডালিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোককে ব্ল্যাকমেইলিং করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। গাড়ী ছিনতাই ও শিশু পাচারসহ কয়েকটি অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে।
এর মধ্যে ২০০৩ সালে গাড়ী ছিনতাইয়ের অভিযোগে জয়দেবপুর থানায় মামলা রয়েছে। একই বছর সাতক্ষিরার তাড়াইল থানায় তার বিরুদ্ধে শিশু পাচারের অভিযোগেও একটি মামলা রয়েছে। ভাষানটেক এলাকার আজিজুর সরদারের ছেলে সুজনের বিরুদ্ধেও মাদক ব্যবসায় জড়িত। সে প্রায়ই বনানী-গুলশান ও সৈনিক ক্লাব এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট সাপ্লাই করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কাফরুল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম শিকদার জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলছে। যারাই এর সাথে জড়িত থাকুক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
ভাষানটেক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুন্সী সাব্বির আহম্মেদ জানান, তার এলাকায় মাদক ব্যবসা নির্মূল হয়েছে। তবে গোপনে কেউ ব্যবসা করলে তদন্ত সাপেক্ষে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ