সদ্য প্রাপ্ত

মতিঝিলে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস থেকে ইয়াবাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক

Spread the love
মো. মাহমুদ হোসাইন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট: রাজধানীর মতিঝিলে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা রিসিভ করেই র‍্যাবের হাতে ধরা পড়লেন ৪ ইয়াবা ব্যবসায়ী। আটককৃতরা হলেন, আরিফ, ফোরকান, রুবেল ও আবু নাইম।
সোমবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৪ টার দিকে র‍্যাব-১০ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ওই চারজনকে আটক করে।
সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে র‍্যাব-১০ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
র‍্যাব-১০ এর সিও (কমান্ডিং অফিসার) এডিশনাল ডিআইজি কাইয়ুমুজ্জামান খাঁন বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ভাটিকা ও প্যারাসুট কসমেটিক্সের কৌটার মধ্যে বিশেষ কৌশল খাটিয়ে ইয়াবাগুলো কুরিয়ার করা হয়। প্রত্যেক কৌটায় ১ হাজার করে ইয়াবার পিস ছিল। যা বাইরে থেকে সহজে কেউ বুঝতে পারবে না যে কৌটাগুলোতে ইয়াবা আছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব সদস্যরা আগে থেকেই অবস্থান নেয়। পরে চার যুবক পার্সেল চারটি রিসিভ করতেই র্যাব সদস্যরা আটক করে তাদের।
এক প্রশ্নের জবাবে সিও বলেন, কুরিয়ার সার্ভিসের মালিক পক্ষর সাথে কথা হয়েছে। তারা যাতে আরও সতর্ক থাকেন মালামাল বুকিংয়ের ক্ষেত্রে। তাদের কারও জড়ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে র্যাব-১০ এর সিও বলেন, আটক হওয়া চারজনই ইয়াবা ডিলার। তারা ঢাকায় এসে কেউ মিরপুরে, কেউ বাড্ডায় আবার কেউ উত্তরায় ইয়াবার ব্যবসা করে। এর আগে থেকে তারা চট্টগ্রাম থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে ইয়াবা নিয়ে এসে ঢাকায় বিক্রি করেছে। যদিও তারা নিজেদের ক্যারিয়ার হিসেবে দাবি করেছে। আমাদের হাতে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ আছে তদন্তের স্বার্থে আগেই জানানো যাচ্ছে না।
রুবেল জানায়, তার সাথে ইয়াবার পার্সেলটি মিরপুরে নিয়ে যাওয়ার চুক্তি হয়। বিনিময়ে ২০০০ টাকা চুক্তি হয়। তবে কার কাছে ইয়াবাগুলো পৌঁছানো হতো জানতে চাইলে কোনো উত্তর দিতে পারেনি।
আরিফ জানায়, সে চট্টগ্রামে লেখাপড়া করে। শাওন নামে একজন ব্যক্তি কুরিয়ার থেকে তাকে ইয়াবা রিসিভ করতে বলেছেন। বিনিময়ে তাকে ৩ হাজার টাকা দিতো বলে দাবি করেন আরিফ।
ফোরকান ও নাইম বলেন, তারা দুজনই রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। টাকার লোভে তারা ইয়াবা বহন করতে এসেছে। তবে বহন করে ইয়াবাগুলো কার কাছে কোথায় দেওয়া হতো তা বলতে পারেনি।
র‍্যাব-১০ এর অপারেশন কমান্ডার অ্যাডিশনাল এসপি মহিউদ্দিন ফারুকী বলেন, চট্টগ্রাম থেকে রাকিব ও শাওন নামে দুজন ছদ্মনামে কুরিয়ারে ইয়াবাগুলো পার্সেল করেন। আসলে তাদের নাম শাওন ইসলাম ও ইমরান। তাদেরকেও আমরা আটকের চেষ্টা করছি। আটকদের নিয়ে ঢাকার আর কোথায় কে আছে তা খুঁজে বের করা হবে।
Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ