পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে টাইগাররা

Spread the love

।। স্পোর্টস ডেস্ক।।

আবু ধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে ৩৭ রানে হারিয়ে দিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশের দেয়া ২৪০ রানের জবাব দিতে নেমে মাত্র ২০২ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ব্যাট করতে নেমে ১ ওভার বাকি থাকতেই ২৩৯ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।

এদিকে খেলার শুরুতে মাত্র ১২ রানে তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। এরপরই চতুর্থ উইকেট জুটিতে মুশফিক ও মিঠুন ১৪৪ রানের জুটি গড়ে দলকে একটা ভালো সংগ্রহের পথ দেখান। মিঠুন ৬০ রান করে ফিরে গেলেও দলকে অনেকটাই এগিয়ে নেন মুশফিক।

কিন্তু মিস্টার ডিপেন্ডেবল খ্যাত এই বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরির একেবারেই কাছাকাছি গিয়েও ৯৯ রান করে আউট হয়ে যান। অল্পের জন্য ক্যারিয়ারের সপ্তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন তিনি।

তবে সেঞ্চেুরি না পেলেও দলকে একটা ভালো সংগ্রহ গড়ে দিতে মূল্যবান অবদান রাখেন মুশফিক। এ ছাড়া মাহমুদউল্লাহ ২৫ ও মাশরাফি শেষ দিকে এসে ১৩ রান করেন।

দীর্ঘদিন পর দলে ফিরে সৌম্য সরকার শূন্য রানে ফিরে গেছেন শুরুতেই। আর মুমিনুল পাকিস্তানি পেসার শাহীন আফ্রিদ্রির শিকার হয়ে ফেরার আগে করেন ৫ রান। লিটন ৬ রান করে আউট হন। বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি ইমরুল কায়েসও (৯)।

এদিনের ম্যাচে সবচেয়ে বড় চমক ছিল বাংলাদেশ একাদশে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের না থাকা। চোটের কারণে বাইরে রাখা হয়েছে তাকে। তার বদলে দলে নেয়া হয় মুমিনুল হককে।

নাজমুল হোসেন শান্তর বদলে দলে সুযোগ পান সৌম্য। পেসার রুবেল হোসেন ফিরেন নাজমুল ইসলাম অপুর জায়গায়।

পাকিস্তানের পক্ষে একাই চার উইকেট নেন জুনায়েদ খান। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন অন্য দুই পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলি।

এদিকে জবাব দিতে নেমে খেলার শুরু থেকেই মিরাজ-মোস্তাফিজদের বোলিং আক্রমণে দিশেহারা অবস্থা শুরু হয় পাকিস্তানের। প্রথম ওভারেই মিরাজের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে উইকেট হারান পাকিস্তানের ওপেনার ফাখর জামান। রুবেল হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান।

পরের ওভারেই মোস্তাফিজের আক্রমণ। ৪ ওভারের মধ্যেই ৩ উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় বাংলাদেশ। সেখান থেকে ইমাম-উল হক করেন ৮৩ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস।

এদিকে শোয়েব মালিক, আসিফ আলিদের মাঝারি ধরনের কয়েকটা ইনিংস পাকিস্তানকে লড়াকু পজিশনে নিয়ে আসে।

তবে বাংলাদেশের বোলারদের সাঁড়াসি বোলিংয়ের সামনে এই ইনিংস আর খুব একটা কাজে লাগলো না পাকিস্তানের পরাজয় ঠেকাতে।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ