অপহৃত আ. লীগ নেতা ১১ ঘণ্টা পর পূর্বাচল থেকে উদ্ধার

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ক্রাইম: অপহরণের ১১ ঘণ্টা পর কুমিল্লার তিতাস উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা পারভেজ হোসেন সরকারকে উদ্ধার করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলেন, অপহরণকারীরা তার চোখ বেঁধে গাড়িতে করে বিভিন্নস্থানে ঘুরিয়ে রাতে কাঞ্চন ব্রিজের কাছে ৩০০ ফুট সড়কে রেখে যায়। খবর পেয়ে পুলিশের সহযোগিতায় তাকে বাসায় নিয়ে যান তারা।

তবে কারা কেন তাকে বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল তা এখনও জানা যায়নি।

পারভেজের ভাগ্নে আবরার সামশাদ জাকি বলেন, আমরা উনাকে বাসায় নিয়ে এসেছি। উনি কিছুটা অসুস্থ বোধ করছেন, ঘুমিয়ে পড়েছেন। বাসায় আসার পর তেমন কথা বলেননি।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, যেহেতু সারাদিন ধকল গেছে, আমরা আজ আর কথা বলছি না। পরে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করব।

কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পারভেজ হোসেন ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিতাস উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। দুই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে লালমাটিয়া সি ব্লকের ৩০ নম্বর বাড়িতে তিনি থাকতেন।

শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় একটি মসজিদে জুমার নামাজ পড়ে বাসার ফেরার সময় পারভেজকে জোর করে একটি কালো রঙের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন।

পরিবারের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্তে নামে।

ভিডিওতে দেখা যায়, দুজন লোক টেনেহিঁচড়ে পারভেজকে তার বাসার সামনে থেকে নিয়ে যাচ্ছে। একটি কালো রঙের গাড়িতে তুলে পারভেজকে নিয়ে চলে যান তারা।

উপ-কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার সে সময় বলেন, যারা পারভেজকে তুলে নিয়ে গেছে, তাদের হাতে ওয়্যারলেস ও অস্ত্র দেখার কথা প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানিয়েছে।

এরপর রাত ১০টার দিকে পারভেজের ফোন পান তার স্ত্রী তাহমিনা আফরোজ। পারভেজ তাকে জানান, তিনি আছেন ৩০০ ফুট এলাকায়, পরিবারের সদস্যরা যেন তাকে নিয়ে যায়।

পারভেজের পরিবারের সদস্যরা এরপর পুলিশে খবর দেয়। পুলিশের সহযোগিতায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে কাঞ্চন ব্রিজের কাছ থেকে পারভেজকে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা লালমাটিয়ায় ফেরেন বলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি জামাল উদ্দিন মীর জানান।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ