সদ্য প্রাপ্ত

ঢাকা ১৩ আসনে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে সাদেক খান

Spread the love

।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

ঢাকা ক্রাইম ডটকম : ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সেরা সংগঠক, প্রবীণ, ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও বর্ষিয়ান রাজনৈতিক নেতা আলহাজ্ব মোঃ সাদেক খানকে এবার এমপি হিসেবে দেখতে চায় দলমত নির্বিশেষে ঢাকা মহানগর ১৩ আসনের সাধারণ মানুষ।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা মহানগর ১৩ আসনের আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তার আকাশচুম্বি যে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাতে তাকে ঢাকা মহানগর ১৩ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিলে তার বিজয়ী হওয়া সুনিশ্চিত।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ সাদেক খান যিনি ঢাকা মহানগর ১৩ আসনের একজন ভোটার। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উত্থান এই মোহাম্মদপুরের মাটি থেকেই। শিক্ষা জীবনে তিনি রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। ঢাকা কলেজের ছাত্রলীগের সদস্য হয়ে রাজনীতিতে হাতে খড়ি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ (সম্মান) ও ইতিহাসে মাষ্টার্স করেন। ১৯৭৭ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ৫ নং ওয়ার্ড কমিশনার নির্বাচিত হন নির্দলীয়ভাবে। সর্বকনিষ্ঠ জনপ্রতিনিধি হয়েও সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মানে পুরস্কৃত হন। ১৯৫২ সাল থেকে আজও খান পরিবারের জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। চাচা, বড় ভাই, ছোট ভাই এবং সাদেক খানও চারবার ওয়ার্ড কমিশনার, দুইবার ভারপ্রাপ্ত মেয়র এবং ঐতিহাসিক জনতার মঞ্চের কারিগরের দায়িত্ব পালন করেন এই বর্ষীয়ান নেতা।

বিএনপি – জামায়াতের রোষানলে পড়ে একাধিক মামলা হামলার শিকার হয়েও নেত্রী মুক্তি আন্দোলনের চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে সাদেক খান ইতিহাস সৃষ্টি করেন। ১৯৯৬ সাল থেকে চারবার জাতীয় নির্বাচনে, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

রায়ের বাজার উন্নয়নের প্রাণপুরুষ বলা হয় সাদেক খানকে। তার পৈত্রিক সম্পত্তি দিয়ে রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবি সংযোগ সড়ক করা হয় ৯টি, পানির পাম্প স্থাপন করা হয় ১১টি ( ১টি পানির পাম্প তার পৈত্রিক সম্পত্তির দান), খেলার মাঠ, মসজিদ, স্কুল – কলেজ স্থাপন করা হয়। কখনোই মজিব আদর্শের সাথে আপোষ করেন নাই এই নেতা। ওয়ার্ড থেকে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পালন করেন সুদীর্ঘ ২৭ বছর। তিনি বর্তমানে মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আস্থার পরিচয় দিয়েছেন শেখ জামালের স্কুল জীবনের সাথী হিসেবে।

এলাকাবাসী জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুও খান পরিবারের বাড়ীতে পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলনে একাধিকবার আসা-যাওয়া করেছেন। জাতির জনকের পায়ের ধুলো পড়েছে খান বাড়ীতে। মোহাম্মদপুরের জনগণের স্থায়ী জনপ্রতিনিধির দাবী দীর্ঘদিনের। জনতার দাবী উপেক্ষা করার সামর্থ সাদেক খানের নেই। তাই ঢাকা ১৩ আসনে সাদেক খানকে এমপি হিসেবে দেখতে চাই বলে জানান স্থানীয় এলাকাবাসী।

৩৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রবিউল আলম বলেন, সাদেক খানের পৈত্রিক জমিতে বুদ্ধিজীবি কবরস্থান স্থাপিত হয়েছে এবং বছিলার মানুষ আজ নৌকা ছেড়ে গাড়ীতে যাতায়াত করছে। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের অংশীদার সাদেক খান, তিনি নেতাকর্মী এবং সাধারন মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য একজন উপযুক্ত ব্যক্তি। সাধারণ মানুষ নেতা চায় না সেবক চায়। সাদেক খানের পদচারনা মোহাম্মদপুরের মাটি ও মানুষের সাথে। তাই আমরা সাদেক খানকে ঢাকা মহানগর ১৩ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিতে দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর দৃর্ষ্টি আকর্ষণ করছি।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ