সরাইল উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী-লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী

Spread the love

সরাইল, প্রতিনিধি – ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামিলীগের  বিদ্রোহী প্রার্থী রফিক উদ্দিন ঠাকুর জয়ী । তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৩১৪৮৪ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন, উনার নিকটতম প্রতিদন্দী শের আলম মিয়া পেয়েছেন২২৭৫৮ভোট। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। ১১টার দিকে বৃষ্টির কারণে ভোটার উপস্থিতি কমে যায়। পরে বৃষ্টি থামলে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা বাড়ে, তবে আশানুরূপ ভোটার চোখে পড়েনি। 

সকাল ৮:৪২মিনিটে সূর্যকান্দি পূর্ব সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৮:৫০ মিনিটে কালিকচ্ছ ইউপি ভোট কেন্দ্র  ঘুরে দেখা যায় ভোটার উপস্থিতি খুবই নগন্য। এরপর সকাল ৮:৫৭ টার দিকে কালিকচ্ছ (উত্তর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় একেবারেই ফাঁকা। উপজেলার রাজাবাড়িয়া কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় একেবারে ভোটার শুন্য,১১:০৪ পর্যন্ত একটি বুথে ভোট পরে মাত্র ৬০টি। স্থানীয় কয়েকজন বলছিলেন  মানুষের মধ্যে ভোট দেয়ার আগ্রহ কমে গেছে। এর ফলশ্রুতিতে ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি খুবই কম। সকাল ১১:৩২ মিনিটের সময় দেওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা যায় ভোটার রয়েছে ২০৭২জন, ৬টি বুথে ভোট গ্রহণ চলছে ঢিলেঢালা ভাবে ১১:৩২ পর্যন্ত এখানে সবকয়টি বুথ মিলে ভোট পরেছে ৪৬১টি।

তবে বেলা বারার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা লক্ষ করা যায়। এসময় আঁখিতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাটানিশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আইরল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাড়িউড়া সরকারি বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ভোটার উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। তবে অনেকেই বলছেন মহিলা ভোটাররা রান্না বান্নার কাজ সেরে হয়তো আসবে ভোট দিতে।তবে দুপুর  পর্যন্ত কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে বলে শুনা যায় নি। উল্লেখ্য সরাইলে চেয়ারম্যান পদে  ৭জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬জন,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে  ৬ জন প্রার্থী লড়েছেন ।  মোট ৮৪টি কেন্দ্রে ৫১৯টি বুথে ভোট গ্রহণ চলছে, এখানে মোট ভোটার রয়েছে ২ লক্ষ ১৪ হাজার ৮০ জন।বিকাল ৩:২৫ দিকে  উপজেলা চত্ত্বর এলাকায় সতন্ত্র দুই প্রার্থী রফিক উদ্দিন ঠাকুর ও শের আলম মিয়া’র সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় শের আলম মিয়ার সমর্থকেরা বেপারী পাড়া এলাকায় রফিক উদ্দিন ঠাকুরের সমর্থক আবু বকর সিদ্দিক (রকেট মেম্বার) ও তার সমর্থকদের বাড়ি ঘর ও দোকান পাটে হামলা চালায়। তারা বেশ কয়েকটি দোকান, বসতঘরে হামলা ও লুটতরাজ চালায়, এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় উভয় পক্ষের সংঘর্ষে  ২০জন আহত হয়। আহতদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে খবর পেয়ে  অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। 

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ