সদ্য প্রাপ্ত

৮৩ উপজেলায় ভোট হবে ১০ মার্চ; বন্ধ থাকবে যানবাহন ও নৌ চলাচল

Spread the love

পঞ্চম উপজেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচনে প্রথম পর্যায়ে চার বিভাগের ৮৩ উপজেলায় ভোট হবে ১০ মার্চ, বন্ধ থাকবে যানবাহন ও নৌ চলাচল।এ-সংক্রান্ত ৩ মার্চ নির্বাচন কমিশন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়কে দুটি চিঠি দিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ৮৩ উপজেলায় ভোটগ্রহণের আগের দুইদিন থেকে ভোটগ্রহণের দিন রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে।

নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, ১০ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা পরিষদের প্রথম পর্যায়ের সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটের আগের দিন (৯ মার্চ) রাত ১২টা থেকে ভোটের দিন (১০ মার্চ) রাত ১২টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। যানবাহনগুলোর মধ্যে রয়েছে বেবিট্যাক্সি/ অটোরিকশা/ ইজিবাইক, ট্যাক্সিক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক ও টেম্পো।

তার স্বাক্ষরিত অন্য চিঠিতে বলা হয়, উপজেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট এলাকায় নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের জন্য ভোটের আগের দিন রাত ১২টা থেকে ভোটগ্রহণের দিন রাত ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ, ইঞ্জিনচালিত সব ধরনের নৌযান ও স্পিডবোট বন্ধ থাকবে। তবে সব ধরনের ইঞ্জিনচালিত নৌযানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়নি। বিশেষ করে ইঞ্জিনচালিত ক্ষুদ্র নৌযান বা জনগণ তথা ভোটারদের চলাচলের জন্য ব্যবহৃদ ছোট নৌযান চলাচল করতে পারবে।

নৌ ও যানবাহন উভয়ের ক্ষেত্রেই নির্দেশনায় বলা হয়, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতিসাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী/ তাদের নির্বাচনী এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। আর ইসির পরিচয়পত্র থাকা সাংবাদিক, নির্বাচনী কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, নির্বাচনের পরিদর্শক এবং জরুরি কাজে নিয়োজিত অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য উল্লেখিত নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।

নৌ-পরিবহনের বিষয়ে আরও বলা হয়, ভোটার ও জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে সব নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে ও দূরপাল্লার নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

যানবাহনের বিষয়ে বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রথম পর্যায়ে চার বিভাগের ১২ জেলার ৮৩ উপজেলায় ভোট হবে। এর মধ্যে রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় জেলার সদর, আটোয়ারী, বোদা, দেবীগঞ্জ ও তেঁতুলিয়া উপজেলা; কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী, ফুলবাড়ী, উলিপুর, নাগেশ্বরী, রাজারহাট, রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম সদর, চিলমারী ও রৌমারী উপজেলা; নীলফামারীর ডোমার, ডিমলা, নীলফামারী সদর, জলঢাকা, সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলা এবং লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট সদর, কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলা।

ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর জেলার সদর, সরিষাবাড়ী, ইসলামপুর, বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা এবং নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা, দূর্গাপুর, খালিয়াজুরী, মোহনগঞ্জ, কেন্দুয়া, কলমাকান্দা, মদন, পূর্বধলা ও সদর উপজেলা।

সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার সদর, ছাতক, দোয়ারাবাজার, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, দিরাই, জামালগঞ্জ, শাল্লা, ধর্মপাশা, বিশ্বম্ভরপুর ও তাহিরপুর উপজেলা এবং হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল, মাধবপুর, চুনারুঘাট, লাখাই, সদর, নবীগঞ্জ, আজমিরীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলা।

রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ জেলার সদর, বেলকুচি, চৌহালী, কাজীপুর, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, তাড়াশ ও উল্লাপাড়া উপজেলা; জয়পুরহাটের সদর, পাঁচবিবি, আক্কেলপুর, কালাই ও ক্ষেতলাল উপজেলা; নাটোরের বাগাতিপাড়া, গুরুদাসপুর, বড়াইগ্রাম, লালপুর ও সিংড়া; রাজশাহী জেলার তানোর, গোদাগাড়ী, মোহনপুর, বাগমারা, পুঠিয়া, দূর্গাপুর, চারঘাট ও বাঘা উপজেলা।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ