মাদক সেবনে বাঁধা দেয়ায় মা ও ছেলেকে কুপিয়ে জখম

Spread the love

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের অভয়নগরে মাদক সেবনে বাঁধা দেয়ায় মা ও ছেলেকে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। সোমবার রাতে উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের শংকরপাশা গ্রামের ফেরিঘাট সংলগ্ন মৃত আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী গুরুতর আহত রেহেনা বেগম (৪২) ও তাঁর ছেলে রফিকুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

চিকিৎসাধীন রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাজার নিয়ে বাড়ি ফিরছিল। ফেরিঘাট সংলগ্ন বাড়ির কাছাকাছি পৌছালে পুড়াখালী গ্রামের হুমায়ন কবীরের ছেলে রায়হান (২৫) প্রকাশ্যে মাদক সেবন করছিল। এসময় রায়হানকে মাদক সেবনে বাধা দিলে সে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়। রাত আনুমানিক ১০ টার সময় সে ও তাঁর মা রাতের খাবার শেষ করা মাত্র রায়হানের মামা পুড়াখালী গ্রামের মান্নান মোল্যার দুই ছেলে হাফিজ মোল্যা ও মফিজ মোল্যা, শংকরপাশা গ্রামের রফিক গাজীর ছেলে মিজানুর, মোতালেব, তারেক, রাসেল মোল্যাসহ অজ্ঞাত ৭/৮ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ঘরে প্রবেশ করে ভাংচুর ও লুটপাট শুরু করে। এসময় সে ও তাঁর মা বাধা দিলে হাফিজ মোল্যা ও মফিজ মোল্যা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে দুইজনের মাথায় আঘাত করে। প্রাণ বাঁচাতে চিৎকারে করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় রক্তাক্ত জখম মা ও ছেলেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আহত মা ও ছেলের বিষয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আহম্মেদ ফয়সাল জানান, মা ও ছেলের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। মায়ের মাথার ক্ষতস্থানে ৩২টি সেলাই ও ছেলের মাথায় ৯টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। দুইজনের অবস্থা গুরুতর।
অভয়নগর থানার অফিসাস ইনচার্জ আলমগীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। হামলাকারীদের কাউকে পাওয়া যায়নি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ দায়ের হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রায়হান ও তার দুই মামার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ