মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানীকারদের জন্য সতর্কবার্তা

Spread the love

ডেস্ক রিপোর্টঃ যারা মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে মালামাল আনবেন তাদের জন্য সতর্ক সংকেত হচ্ছে, বিদ্যমান কাস্টম আইনের খোলনলচে পাল্টে যাচ্ছে। পরিবর্তিত আইনে মালামাল স্ক্যানিং মেশিনে পরীক্ষা করা হবে।

একই সঙ্গে আমদানি ও রফতানির ক্ষেত্রে সব মালামাল স্ক্যানিং মেশিনে পরীক্ষা করার আইন বাধ্যকতামূলক করা হচ্ছে। ম্যানুয়ালের পরির্বতে সবকিছু হবে ডিজিটালে। মালামাল আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ফাঁকি দেওয়া সম্ভব হবে না। সব ধরনের ফাঁকফোকর বন্ধ করে কাস্টম আইন চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আজ মন্ত্রিসভার মোট ১০টি বিষয়ের মধ্যে প্রথম আলোচ্য বিষয় থাকছে কাস্টম আইন, ২০১৯ খসড়ার নীতিগত অনুমাদন ও চূড়ান্ত অনুমোদন। বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকটি হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদের আগে শেষ বৈঠক। এরপর ১৩ জুন বাজেট ঘোষণার দিন বিশেষ মন্ত্রিসভা বৈঠক হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত কাস্টম আইনটি ২০১৪ সালে তৈরি করা হয়। এরপর এ আইনটি নিয়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের মতামত গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি এ আইনের ওপর বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দেয়। কিন্তু এরপর এ আইন নিয়ে আর কোনো কাজ করা হয়নি। দীর্ঘদিন পর এ আইন মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হচ্ছে। কেন এত দেরি, এ প্রসঙ্গে কেউ কোনো ধরনের মন্তব্য করতে নারাজ।

তবে আইনটি আগামী ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে কার্যকর হবে। আর এ আইন কার্যকর করার বিষয়টি অর্থমন্ত্রীর আসন্ন বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ থাকতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। প্রস্তাবিত আইনে সবকিছুর কার্যক্রম হবে ডিজিটালে। তাই কেউ সহজে মালামাল আনার ক্ষেত্রে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পার পাবে না। এর ফলে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে মালামাল এনে কোনো কোনো ব্যবসায়ী গা ঢাকা দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে। এ নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ কাজ করছে। এ ছাড়া জড়িত আইনভঙ্গকারী কাস্টম কর্মকর্তাদের শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে এ প্রস্তাবিত আইনে।

আজকের মন্ত্রিসভায় দ্বিতীয় আলোচ্য বিষয় হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) সংশোধন আইন, ২০১৯। এ আইন কার্যকরের যে মেয়াদ ছিল তা শেষ হয়ে আসছে। এই আইনের মেয়াদ আরও ৫ বছর বাড়ানোর জন্য সংশোধন করা হচ্ছে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

তৃতীয় বিষয়টি হচ্ছে, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের। আন্তর্জাতিক নৌ দিবসকে বিশ্ব নৌ দিবস হিসেবে অভিহিত করা হবে। একই সঙ্গে এ দিবস পালনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন সংক্রান্ত পরিপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। বাকি ৭টি বিষয়ের মধ্যে রয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ও শিক্ষা উপমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় কাজে বিদেশ সফরের অবহিতকরণ।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ