basic-bank

সড়ক যেন মৃত্যুর ফাঁদ!

আমির হামজা, (রাউজান) চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: রাউজান থেকে চট্টগ্রাম শহরে যেতে ৪০ মিটিটের সময়ে যেতে লাগে এখন দুই,তিন ঘন্টা, মদুনাঘাট হতে শহরে যেতে রাস্তার উপর দিয়ে যাচ্ছেন ঠিক কিন্তু এই রাস্তার বর্তমানে বড় বড় গর্তের পরিনিত হয়েছে। সড়ক চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে দিন দিন। সংস্কার করা না হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা অচিরে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় একজন সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, প্রতিদিন এই সড়কের উপর দিয়ে রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, রাঙামাটি, বান্দরবন মানুষের প্রধান যোগাযোগব্যবস্থা এই সড়কপথ, কিন্তু হাজার হাজার মানুষ ভুক্তভোগি এই পথে, যেমন অফিসগামী, চাকরিজীবী, স্কুল, কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীসহ প্রতিটি মানুষের কষ্টের যেন শেষ নেই।

সড়কগুলির যে যে অংশে পানি ছিল সে অংশে পীচ উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গর্তের মধ্যে পড়ে প্রতিনিয়ত অনেক যানবাহন উল্টে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সড়ক পায়ে হেটেও চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। জরুরী ভিত্তিতে সড়কগুলি সংস্কার না করা হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এদিকে এসব সড়কের এমন অবস্থার জন্য দায়ী চট্টগ্রামে ওয়াসার পাইপ লাইনের বসানোর কাজে খুড়া-খুড়িতে রাস্তাঠি বেহাল দশা সৃষ্টি হয়েছে, বর্ষা মৌসুমে রাস্তাঘাটে পানি জমে জলাবদ্ধতার কারণে সড়ক গুলি ক্ষত- বিক্ষত হয়ে যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে দিনদিন।

সরজমিনে দেখাযায়, মদুনাঘাট হতে কাপ্তাইও চট্টগ্রামে শহরে প্রায় গোটা সড়ক জুড়ে বর বর গত আর খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে, আর অল্পবৃষ্টিতে পানি জমে থাকায় প্রতিনিয়তই জনদুরর্ভোগএ শিকার হচ্ছেন রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, বান্দরবন, রাঙামাটি ও হাটহাজারিসহ শহরের সাধারন মানুষেরা। এ বেহাল দশা থেকে ভুক্তভোগীগণ একটু মুক্তি চায়। যাত্রী ও পথচারীদের এবং সাধারন মানুষদের এখন একটাই দাবি, খুব দ্রুতই সড়টি মেরামত করা হোক।

এই নিয়ে দেখা গেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ হলেও তার কোন প্রতিকার পাছেনা সাধারন মানুষ। রহমান নামে এক যাত্রীরা বলেন প্রতিনিয়ত হচ্ছে দুঘটনা অাহত, নিহত যেন কিছু না। এই ব্যাস্ত পথে যাত্রী গাড়ীচালক সাধারন মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা চলাচল করতে হচ্ছে প্রতিদিন। তাই

ঐ সড়ক সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগি সাধারন মানুষ।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।