basic-bank

ঈদে মিলন মেলায় পরিনত তেতুলিয়ার পর্যটন কেন্দ্রগুলো

এম.মোবারক হোসাইন, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে হাজারো প্রাণের মিলনের ছন্দ। ঈদের ছুটিতে উৎসব হবে না তা কি করে হয়। তাইতো বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ঈদ-উল-আজহার ছুটিতে হাজারো প্রাণের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ার পর্যটন কেন্দ্রগুলো। কেউবা তুলছেন সেলফি, কেউবা নিজ ও প্রিয়জনের ছবি ক্যামেরাবন্দি করছেন নিজের মোবাইল ফোনে।

ঈদের ছুটি পেয়ে স্বপরিবারে আবার কেউবা বন্ধু-বান্ধব সাথে নিয়ে ছুটে এসেছেন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে। হিমালয় কন্যা পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া ডাকবাংলো, আনন্দধারা শালবাহান, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ও এলাকার বিভিন্ন চা বাগানে পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এই পর্যটন কেন্দ্রগুলোর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুব সহজেই আকৃষ্ট করে আগত পর্যটকদের।

পঞ্চগড়ের এই কেন্দ্রগুলো পর্যটকদের কাছে প্রকৃতির হিমালয়কন্যা নামে পরিচিতি রয়েছে। প্রকৃতি এখানে প্রতিনিয়ত হাতছানি দিয়ে ডাকে। সমতল ভূমিতে সারি-সারি চা বাগানে সবুজের সমারোহ। অপরূপ রূপের চাদর মোড়ানো আর সেই পাশ ঘেঁষে বয়ে গেছে ভারত-বাংলাদেশের মাঝে দুই ভাগ করা মহানন্দা নদী আর এই নদী পর্যটকদের কাছে খুবিই প্রিয়।

বিশেষ করে সেপ্টেম্বরে দেখা মিলছে কাঞ্চনজংঙ্গার, কার্শিয়ং পাহাড়ের অপরুপ দৃশ্য বেশি আকৃষ্ট করে পর্যটকদের। আর প্রকৃতির ঢেলে সাজানো এসকল দৃশ্যাবলি দেখতে ঈদ পরবর্তী ছুটির দিনগুলোতে পর্যটন কেন্দ্র তেতুলিয়ায় রয়েছে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।
এ সকল পর্যটকদের আপ্যায়ন করতে প্রস্তুত রয়েছে তেতুলিয়া আবাসিক-অনাবাসিক হোটেল রেস্তোঁরা। পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে গড়ে উঠেছে ভিন্ন রকম ব্যবসা বাণিজ্য।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঈদের দিন থেকে প্রতিদিন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত পর্যটন তেতুলিয়া ডাকবাংলো ও বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট। পর্যটন এলাকার কোথাও যেনো তিল ধারনের ঠাঁই নেই। পর্যটন এলাকার প্রবেশ মুখ থেকে শুরু করে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত রাস্তাঘাটের দুপাশে পাথর ছাড়াও পাথর রাখার ফিল্ড ও ক্রাসার মেশিন রয়েছে।

পঞ্চগড়ের ভজনপুর থেকে স্বপরিবারে বেড়াতে আসা পর্যটক বকুল জানান, প্রকৃতির হিমালয় কন্যার রূপ বৈচিত্র্য থেকে সত্যিই আমরা বিমোহিত। স্বপরিবারে এমন সুন্দর একটা জায়গায় আসতে পেরে খুবই ভালো লাগছে।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।