ভ্রমন পিপাসুদের অপেক্ষায় খাগড়াছড়ি-সাজেক

Spread the love

মোঃ শাহীন আলম, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলার অন্যতম খাগড়াছড়ি। চট্টগ্রাম থেকে এই জেলা শহরের দূত্ব প্রায় ১২২ কিলোমিটার। চারিদিকে পাহাড়ের মাঝে অনেকটা সমতলে এই শহর।

খাগড়াছড়ির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভ্রমণের জায়গা হল আলুটিলা পাহাড়। প্রায় এক হাজার ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়ালে পুরো খাগড়াছড়ি শহরকে পাখির চোখে দেখা যায়। এখান থেকে চেঙ্গি নদীকে দেখলে মনে হয়, সাপের মতো আঁকাবাঁকা হয়ে ছুটে চলেছে।

আলুটিলা পাহাড়ের আরেকটি আকর্ষণীয় জায়গা হল, প্রাচীন একটি গুহা। পাহাড়ের নীচে গুহার ভেতর দিয়ে বয়ে চলছে শীতল জলধারা।
শহর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে মনোরম এক প্রাকৃতিক ঝরনা রিসাং। এটি আলুটিলা ছেড়ে সামনে আরও তিন কিলোমিটার দূরে। পাহাড়ের গা বেয়ে নামতে হয় এ ঝরনায়। বিশাল পাথরের একপাশ দিয়ে পানি বয়ে যায়।
খাগড়াছড়ি জেলাশহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সদর উপজেলার নুনছড়িতে উঁচু এক পাহাড়ের উপরে দেবতার পুকুর।

অন্যদিকে সাজেক- একসময় যার পরিচিতি ছিলো দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল হিসেবে। এখন বাঘাইছড়ির সাজেক পাহাড়ি সৌন্দর্যের অহংকার। যাতায়াতের সুবিধা থাকায় এখন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভ্রমণপিপাসু পর্যটক অনায়াসে সাজেকে আসতে পারছেন।

সাজেকের সুউচ্চ পাহাড়ে দাঁড়ালে কল্পনায় যে কেউ চলে যাবেন আকাশের কাছাকাছি। আর নিচের দিকে তাকালে ভাবনা আসতেই পারে কিভাবে উঠলেন এতো উপরে! আকাশ আর পাহাড়ের অপূর্ব মিতালী দেখে হয়তো হারিয়ে যাবেন অন্য জগতে! মনের অজান্তে বলে উঠবেন- আরো আগে আসা উচিত ছিল, হারিয়ে যাবেন মনের অজান্তে স্বপ্নের রাজ্যে। এই হলো সৃষ্টিকর্তার এক অপূর্ব সৃষ্টি সাজেক।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ