র‌্যাবের অভিযানে রূপগঞ্জে জেএমবির এক সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার

Spread the love

র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৮ নভেম্বর ২০১৭ তারিখ ২০৩০ ঘটিকা হতে ২৩৪০ ঘটিকা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার মামলা নং-৬৯ তারিখ ২২ আগষ্ট ২০১৭ এর এজাহার নামীয় পলাতক আসামী ও নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবির (সারোয়ার গ্রুপ) ০১ জন সক্রিয় সদস্য হাফেজ সৈয়দ মোঃ ইসহাক @ মাওলানা ইসহাক @ হাফেজ মাওলানা ইসহাক (৫০), থানা- বেলাব, জেলা- নরসিংদীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত হাফেজ সৈয়দ মোঃ ইসহাক @ মাওলানা ইসহাক @ হাফেজ মাওলানা ইসহাক দেয়া স্বীকারোক্তিমতে তার নিজ বাসা এবং দোকান হতে বিপুল সংখ্যক জঙ্গীবাদী বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়।

হাফেজ সৈয়দ মোঃ ইসহাক @ মাওলানা ইসহাক @ হাফেজ মাওলানা ইসহাক (৫০), ১৯৯৬ সালে বরিশালের একটি মাদ্রাসায় দাখিল পর্যন্ত পড়াশুনা করে। পরে ঢাকায় এসে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করে। ২০০২ সালে সে জনৈক ইজাজ এর মাধ্যমে জঙ্গীবাদে উদ্বুদ্ধ হয়। ২০০৮ সালে ধানমন্ডির হাতেমবাগ মসজিদে জসিম উদ্দিন রাহমানির সাথে তার প্রথম সাক্ষাত হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মোহাম্মদপুরের বসিলাস্থ জসিম উদ্দিন রাহমানির মসজিদের ১০ সদস্যের পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সে জসিম উদ্দিন রাহমানির একান্ত সহকারী হিসেবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দাওয়াতী কাজের জন্য ভ্রমণ করেছে।

২০১৩ সালে জসিম উদ্দিন রাহমানি গ্রেফতার হওয়ার পর সে বেশ কিছুদিন আত্মগোপনে থাকে পরে তার নিকট আত্মীয় মাওলানা আব্দুল হাকিমের সাথে জেএমবির সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় হয়। ২০১৬ সালে মাওলানা আব্দুল হাকিম গ্রেফতার হওয়ার পর সে পুনরায় আত্মগোপনে চলে যায়। মাওলানা ইসহাকের কাছে জসিম উদ্দিন রাহমানি নিয়মিত সাংগঠনিক নির্দেশনা স¤¦লিত চিঠি পাঠাত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে। জনৈক মোমেনা নামের সংগঠনের এক নারী সদস্যসহ অন্য কয়েকজনের মাধ্যমে মাওলানা ইসহাকের সাথে জসিমউদ্দিন রাহমানি চিঠিগুলো আদান-প্রদান করত। জসিম উদ্দিন রাহমানির নির্দেশে জেএমবির শীর্ষনেতা তাসলিম জেল থেকে জামিনে বের হয়ে এসে মাওলানা ইসহাকের সাথে সাক্ষাত করে এবং সাংগঠনিক বিষয় সমূহ সমন্বয় করে।

পরবর্তীতে সংগঠনের কিছু বিষয়ে জেএমবির (সারোয়ার গ্রুপ) দাওয়াতী শাখার শীর্ষ নেতা শায়েখ আরিফের সাথে তার দ্বন্দে¡র সৃষ্টি হয়। সে জেএমবির শীর্ষ নেতা তাসলিমের ভাইয়ের মাধ্যমে জেলখানাসহ বিভিন্ন স্থানে জসিম উদ্দিন রাহমানিকে ভাগে ভাগে মোট ২,৫৩,০০০/- টাকা প্রদান করেছে বলে স্বীকার করেছে। জেলখানা থেকে জসিম উদ্দিন রাহমানির পাঠানো নির্দেশনা স¤¦লিত চিঠিপত্র সংগঠনের অন্যান্যদের কাছে প্রেরণের মাধ্যমে সে জেএমবির কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি;

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ