পঞ্চগড়ে ৩০ হাজার শীতার্ত মানুষের জন্য বরাদ্দ ২১৫ কম্বল!  

Spread the love

এম.মোবারক হোসাইন,পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে চলমান শীতের কারনে তেতুলিয়াসহ অন্যান্য  উপজেলা আটোয়ারী,বোদা,দেবীগঞ্জে ব্যাপকহারে শীতবস্ত্রের চাহিদা রয়েছে।যদিও সরকারী ও স্হানীয় পর্যায়ে শীতবস্ত্র দেওয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু শীতার্ত মানুষের সংখ্যা ৩০ হাজার, তার বিপরীতে কম্বল বরাদ্দ মাত্র ২১৫টি। অর্থাৎ ১৩৯ জনের জন্য বরাদ্দ মাত্র একটি কম্বল। তাও আবার বেশির ভাগ মানুষের কাছে সেই সাহায্য পৌঁছায়নি। বলছি, ৬৮ বছরের ইতিহাসে সবচে শীতার্ত জনপদ তেতুলিয়ার কথা। তারপরও স্থানীয় প্রশাসন বলছে, বরাদ্দ পর্যাপ্ত। এই বাস্তবতায়, ক্ষুব্ধ মানুষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জনরোষে।
স্থানীয়দের সঙ্গে তথা বলে জানা যায়, শীতের কারণে বাইরে লোকজনের চলাচল সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ায় দুভোর্গে পড়েছে রিকশা-ভ্যানচালকসহ দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষেরা। কাজের খোঁজে বাধ্য হয়ে ঘর ছাড়লেও কাজ জুটছে না, ফলে পরিবার নিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারেও থাকতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষদের। কাজ খুঁজে পাচ্ছে না খেটে খাওয়া মানুষেরা

এ ব্যাপারে পঞ্চগড় পৌরসভার মেয়র তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পৌর এলাকায় কম্বল পাওয়ার মতো লোকের সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার। সেখানে দুই মাস আগে জেলা প্রশাসন থেকে ৩৭৫টি কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, যা অনেক আগেই বিতরণ করা হয়েছে।
এদিকে জেলা শহরের কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, তীব্র ঠাণ্ডার কারণে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগীর ভিড় বাড়ছে। অনেকেই চিকিৎসা সেবা নিয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছেন।

ARE YOU LOOKING FOR YOUR OWN PIECE OF PARADISE?

Prominent Living Ltd is a premier licensed real estate company in Bangladesh with its own unique identity.

Ongoing Project | Prominent Tower
Location: Sector 3, Uttara, Dhaka, Bangladesh.
Type: Commercial Building | 01716 638059, 01726 265195

পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালগুলোতে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর ভিড় বাড়লেও চিকিৎসা সেবাসহ সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে।’

শীত মোকাবিলায় প্রশাসনের ভূমিকার ব্যাপারে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পাঁচ উপজেলায় ইতোমধ্যে ৩০ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আরও ২০ হাজার কম্বল চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে।’ সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান শীতার্তদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন বলেও তিনি জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
অব্যবস্থাপনার কারণে প্রকৃত ব্যক্তিরা শীতবস্ত্র থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দাবি করে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘প্রতিবছর সরকারি-বেসরকারিভাবে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। বিতরণকারীদের অনেকেই এসব কম্বল নিজেদের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে বিতরণ করায় প্রকৃত শীতার্তরা কম্বল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।’

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ