Spread the love

পুরান ঢাকার কথিত ভন্ডপীর আওসাফ এলাহীর বিরুদ্ধে সাংবাদিক আশেক হোসাইনকে আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনায় বংশাল থানায় মামলা দায়ের।  মামলা নং – ১৭/১৫৬।

শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১ঃ০০ ঘটিকার সময় আশেক হোসাইন বাদী হয়ে বংশাল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অন্যান্য আসামিরা হলেন- জামিল, সাকিল, সাকের, গোলাম মোর্শেদ, নিশাত, মুক্তার হোসেন, (সর্বপিতা অজ্ঞাত) ফারহান, মোল্লা মুর্তজা কামাল, সহ আরো অনেকে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, উক্ত ভন্ড পীরের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের রিপোর্ট করেছিলেন সাংবাদিক আশেক হোসাইন। এরই জেরধড়ে আশেক হোসাইনকে গত ৫এপ্রিল দিবাগত রাতে পুর্বপরিকল্পিত ভন্ড পীরের আস্তানায় ঢেকে নিয়ে ৩দিন আটকে রেখে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতিসহ নির্মমভাবে নির্যাতন করে।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও বিভিন্ন গনমাধ্যমে আওসাফ এলাহির অপকর্মের সংবাদ প্রকাশ করায় সংবাদ মাধ্যমের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হেনোস্থা করেন এই আওসাফ ও তার সহযোগীরা।

কথিত ভন্ডপীর আওসাফ এলাহীর বিরুদ্ধে দেশে ও বিদেশে ভয়াবহ একপ্রতারণা চক্র পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দেশের সাধারণ মানুষ ছাড়াও প্রবাসী বাংলাদেশীরাও তাদের প্রতারণার চক্রের দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া যায়।শুধুপ্রতারণা করে মানুষের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়ার বিষয়ই নয়, নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে ক্যাডার লালন করা ও নারীদের দেহ ব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগও আছে কথিত এই পীরের বিরুদ্ধে।তার কাছে যাওয়া নারীদের মধ্যে অনেকেই তার লালসার শিকার হয়েছেন। এই সিন্ডিকেট পরিচালনার জন্য তিনি দেশের ক্ষমতাশালী অনেক মানুষকে নানান ভাবে খুশি রাখেন।এসব ক্ষমতাশালীদের মধ্যে প্রশাসনের উর্ধতন  , সরকার দলীয় নেতা ও কথিত পীরের বিত্তশালী অনেক ভক্ত রয়েছেন। তদন্তে জানা যায়, মানুষকে চাকরী দেয়া থেকে শুরু করে নানান ধরনের সমস্যা এই পীর টাকা নিয়ে সমাধান করে থাকেন। এগুলো কোনো বুজরুকী নয়, বরং টাকা নিয়ে প্রভাব বিস্তার করে তিনি কাজ করিয়ে দেন।

অনেকেই নারীর লোভে ও ঘুষ বাণিজ্যে লাভবান হওয়ার জন্য পীরের সহায়তা করে থাকেন।জানা যায়, প্রভাবশালী বেশ কিছু মানুষ পীরের এই কর্মকান্ডে তাকে সহায়তা করে যাচ্ছেন। কথিতএই পীর তার প্রায় চারটি আস্তানায় এসব ভয়াবহ কর্মকান্ডের জাল বিস্তার করে রেখেছে।

সম্প্রতি পারভিন নামে এক অভিযোগকারী কথিত এই পীরের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ উত্থাপন করেন।তিনি বলেন, তিনি ঢাকা থেকে মেয়ে জুলেখাকে চিকিৎসার জন্য পীরের শরীয়তপুরের দরবারে নিয়ে যান। তখন তার মেয়ের উপর পীরের কু-নজর পড়ে।পীর জুলেখাকে চিকিৎসার নামে আটকে রাখে। শত চেষ্টা করেও মেয়েটি বাসায় নিয়ে যেতে পারেনি।মেয়েটিকে পীরও তার লোকেরা ভয় দেখিয়ে বাধ্য করে পীরের সাথে থাকতে।

পীর তার লোকজন দিয়ে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে উল্টো গুলশান থানায় মামালা দায়ের করে। সেই মামলার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় ভন্ড পীর। পীরের লোক, মীরপুরে বসবাসকারী ইলিয়াছ উদ্দিন আহম্মেদ এই টাকা গ্রহণ করেন।অভিযোগকারী জানান, তিনি তার স্বামীর পেনশনসহ জমানো সকল টাকা হারিয়ে আজ নিঃস্ব।

ভন্ড এই আওসাফ এলাহি পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করে আসছে বলে তার পাশের মানুষদের ধারণা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার এক মুরীদ বলেন, পীরের লেবাস নিয়ে সে পাকিস্তানের চর হিসাবে দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে, এটি একটি কাভার মাত্র।এছাড়া তার লোক মনিরুল হক চোধুরী ওরফে এমএইচ চৌধুরীও (৪২/১ পুরাণ পল্টন, ৩য় তলা) দীর্ঘ দিন যাবৎ পাকিস্তান সরকারের বিশ্বস্ত হয়ে কাজ করছেন।বোনাজি ঔষধের ব্যবসার তারএকটি রূপ মাত্র। পীর সুরেশ্বরের বিভিন্ন আস্তানা গোলাবারুদ রাখার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে বলেঅভিযোগ রয়েছে।সরকারের উঁচু পর্যায়ের অনেকে পীরের কাছ থেকে এসব কর্মকান্ডে সুবিধা নিয়েথাকে। ফলে এখন পর্যন্ত ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে কথিত এই পীর। অবিলম্বে ভন্ড এই পীরেরবিরুদ্ধে তদন্ত ও বিচারের ব্যাবস্থা করার আবেদন জানিয়েছেন অনেক ভুক্তভোগী।

রবিবার ০৮/০৪/১৮ইং  তারিখ

ভোগবাদী জড়বাদি দর্শনে বিশ্বাসী কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের গডফাদার পুরান ঢাকার কথিত ভন্ড পীর আওসাফ এলাহীর অডিও ফাঁস সবচেয়ে জঘন্য ধর্মব্যবসা হচ্ছে ভন্ডপীর ব্যবসা! বাংলাদেশের লাখো-কোটি মানুষের সরল ধর্ম বিশ্বাসকে পুঁজি করে সম্পদের পাহাড় বানাচ্ছে এসব ভন্ডরা। ভন্ডদের ধোঁকায় পড়ে সরলমনা মুসলমান নর-নারীরা ঈমান হারাচ্ছে! বাংলাদেশে দেশে ভন্ড পীরের অভাব নেই। পীর নামধারী ভন্ডরা মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মানুষকে নিঃস্ব করছে। এ রকম হাজারো ভন্ডপীরদের মাঝে সেরা ভন্ড পুরান ঢাকার কথিত পীর আওসাফ এলাহীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা। পুরান ঢাকার সাতরওজা দরবার শরীফের ২২ বছর বয়সী কথিত পীর আওসাফ এলাহীর বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আদালতে মামলা দ্বায়ের করেছে এক সাংবাদিক। গত বৃহস্পতিবার ঢাকা ক্রাইম মিডিয়া লিঃ এর কর্নধার সাংবাদিক শাহ্ আশেক হোসাইন বাদী হয়ে ঢাকা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দ্বায়ের করেন। যার মামলা নম্বর ৪৮/১৭। বিচারক অভিযোগ আমলে নিয়ে শুনানির জন্য আগামী ১৯ এপ্রিল দিন ধার্য করেন। উক্ত দরবার শরীফের পীর সৈয়দ শাহ মো. আওসাফ এলাহীকে প্রধান ও পীরের অন্যতম সহযোগী গোলাম মুর্শিদ, শাকের উন নবী, মোক্তার হোসাইনসহ অজ্ঞাত নামা ২০/২৫ জনকে আসামী করা হয়েছে। জানা যায়, সাতরওজা দরবার শরিফের পীর দাবীদার আওসাফ এলাহীর বিরুদ্ধে জমি দখল, সন্ত্রাসী লালন পালন ও হত্যার হুমকিসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। তার অপকর্মের বিভিন্ন তথ্য জেনে যাওয়ায় সাংবাদিক শাহ আশেক হোসেনকে দীর্ঘদিন থেকে হুমকি দিয়ে আসছে। এদিকে আওসাফ এলাহীর অব্যাহত হুমকিতে সাহসী সাংবাদিকতাকে বাঁধাগ্রস্থ করবে ভেবে আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক শাহ্ আশেক হোসাইন। এলাকাবাসী ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ইতিপূর্বেও বিভিন্ন গনমাধ্যমে আওসাফ এলাহির অপকর্মের সংবাদ প্রকাশ করায় সংবাদ মাধ্যমের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হেনোস্থা করেন এই কথিত পীর ও তার সহযোগীরা। পুরাণ ঢাকা সাতরওজা দরবারের কথিত পীর সন্ত্রাসীর গডফাদার আওসাফ এলাহীর অডিও রেকর্ড ফাঁস। পুরান ঢাকার সাতরওজা ২নং আলী নেকী দেওরী লেনস্থ আবুল উলাইয়া খানকা শরীফের ২২বছর বয়সী কথিত পীর আওসাফ এলাহীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিউজ প্রকাশ করায় কথিত পীর ও তার ভক্তরা সম্পাদকের মোবাইলে প্রাণনাশের হুমকী দেন যার প্রেক্ষিতে খিলগাঁও থানায় জিডি করেন যাহার নং ১১১৯ তাং ১৯/০৭/২০১৬, পরবর্তীতে কথিত পীর সম্পাদকের বিরুদ্ধে তার ভক্তদের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে ৫৭ ধারায় মামলা করেন নবীনগর থানায় যাহার নং ৪ তাং ০৩/০৮/১৬ইং, বিষয়টি গোপন রেখে টাকা দিয়ে RAB – 3 কে দিয়ে রাতের গভীরে সম্পাদককে গ্রেফতার করে ব্রাম্মনবাড়ীয়া নিয়া যান আদালতে জামিন চাইলে পীর বড় অংকের টাকা দিয়ে জামিন না মন্জুর করান এবং হাইকোর্ট থেকে জামিন নিলে নরসিংদী সদর মডেল থানায় মামলা করেন তার এক ভক্ত যাহার নং ৪ তাং ৪/০৯/১৬ এই মামলায় জামিন পেলে অন্য আরেকটি ৫৭ ধারার পেন্ডিং মামলা নং ৪৯ তাং ১৮/০৫/১৬ এই মামলায় গ্রফতার দেখান ও দুই দিনের রিমান্ড নেন, উক্ত মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন নিলে নবীনগর থানার ৫৭ ধারার মামলাটি হাইকোর্টের জামিন আদেশ সুপ্রিম কোর্টে ৮ সপ্তাহের জন্য জামিন স্থগিত করেন, পরবর্তীতে দীর্ঘ পাঁচ মাস কারাভোগের পর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতির শোনানিতে জামিনে মুক্তি পান, জামিনে বের হওয়ার পর আবার দেখেন ঢাকা বংশাল থানায় পীরের ভক্ত মিথ্যা ঘটনার জিডি করে টাকার বিনিময়ে প্রসিকিউশন দিয়ে নন এফায়ার মামলা করেন যাহার নং ৪১৬/২০১৬ উক্ত মামলায় সম্পাদকের শ্যালক ৭১ টিভিতে কর্মরত ও মেধাবী ছেলে এসএসসি পড়ুয়া ছেলে সহ মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা বের করেন, ছেলের এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আদালতে হাজির হয়ে তিনজন জামিন নেন, ছেলে বর্তমানে ঢাকা কলেজে পড়ছে এবং এখনো বাবা ছেলে মামা আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন এবং মামলা গুলি মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় ইতি মধ্যে আদালত থেকে তিনটি মামলা হইতে অব্যাহতি পান একটি চলমান। উক্ত সকল মামলা কথিত পীর টাকার বিনিময়ে ভক্তদের দিয়ে করেছেন তার শতভাগ প্রমাণ মিলেছে মোবাইল অডিও রেকর্ড ফাঁসের মাধ্যমে। পুরান ঢাকার কথিত পীর আওসাফ এলাহীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ