বনানীতে ভন বয়েজ ট্রাভেল এজেন্সির বিরোদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ক্রাইম ডট কম: বনানীতে ভন বয়েজ ট্রাভেলস এন্ড ওভারসিজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরোদ্ধে প্রতারনার অভিগোগ পাওয়া গেছে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত একের পর এক অফিস পরিবর্তন, বিনা রশিদে গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা গ্রহন করে বছরের পর বছর হয়রানী করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরোদ্ধে।

ভন বয়েজ ট্রাভেল এজেন্সির প্রতারনার ও হয়রানীর স্বীকার ভূক্তভোগীরা এই ট্রাভেলসের লোকজনের দ্বারা হুমকির শিকার হয়ে বনানী থানায় সাধারন ডায়রীও করেন এক ভূক্তভোগী।

ট্রাভেল এজেন্সি এসোসিয়েশন, জনশক্তি ও কর্মসংস্থান ব্যুারোসহ সরকারী বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে পাওয়া তথ্য মোতাবেক জানা যায়, ঢাকার মতিঝিল এলাকার ২৯ টয়েনবি সার্কোলার রোড ঠিকানায় মেসার্স ভন বয়েজ ট্রাভেলস এন্ড ওভারসিজ (প্রা:) লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেয় মো. মমিনুল্লাহ পাটুয়ারী নামে এক ব্যবসায়ী। পরবর্তীতে এই প্রতিষ্ঠানটি বনানীর ডি ব্লকের ১৩ নাম্বার রোডের ৯৯ নাম্বার বাসায় এবং একই এলাকার এফ ব্লকের ৭ নাম্বার রোডের ৪৪ নাম্বার বাসায় এবং সর্বশেষ একই এলাকার বিমান বন্দর রোডের ৮৪ নাম্বার বাসায় ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

এবিষয়ে কুমিল্লা এলাকার শিলা নামে এক মহিলা অভিযোগ করেন তার ছেলেকে মালয়শিয়া নেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা নেয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল হাসান কিন্তু দীর্ঘ এক বছর হয়ে গেলো তার ছেলেকেও নেয়না টাকাও ফেরত দিচ্ছেনা।

এছাড়া সাজ্জাত হোসেন নামে আরেক ভূক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, আমি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী আমি তার কাছ থেকে ৭ টি ভিসা ক্রয় করার জন্য অগ্রিম সারে তিন লাখ টাকা প্রদান করেছি। কিন্তু ভন বয়েজ প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার রশিদ বা ডকুমেন্ট না দিয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবী করছেন। আমি এতে রাজি না হওয়ায় আমার এই ৭টি ভিসা বাতিল করে এই অর্থ আত্মসাতের চেস্টা করছেন। শুধু তাই নয়, এই টাকা চাইতে গেলে আমাকে উল্টো হুমকি প্রদান করেন। বাধ্য হয়ে বনানী থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেছি।

ঘটনার বিষয়ে ভন বয়েজ ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবস্থাপক মো. নজরুল ইসলাম নিজেকে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক পরিচয় দিয়ে বলেন, আমরা শুধু মতিঝিলের ঠিকানা পরিবর্তন করেছি। বনানীর ৪৪ এবং ৯৯ নাম্বার বাসায় কোন অফিস ছিলনা বলে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, গ্রাহকরা টাকার রশিদ চায়না আর তাই রশিদেরও দরকার পরেনা। নিজেদের দোষ শিকার করে নজরুল ইসলাম জানান, এই ব্যবসায় গ্রাহক অসন্তোষ হবেই। কিছুই করার নেই। তাছাড়া বিভিন্ন কারনে মালয়শিয়া লোক পাঠানো কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।

বনানী থানায় দায়েরকৃত সাধারন ডায়রীর তদন্ত কর্মকর্তা এস আই হান্নান জানান, ভন বয়েজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে একটি সাধারন ডায়রী হয়েছে যা তদন্ত চলছে।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ