ভ-পীর আওসাফ এলাহী কর্তৃক সাংবাদিককে অপহরণ ও নির্যাতনের বিচার দাবীতে মানববন্ধন

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাংবাদিক আশেক হোসাইনকে অপহরণ ও নির্যাতনের বিচার দাবীতে মানববন্ধন করেছেন নির্যাতিত সাংবাদিকের পরিবার। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের  সামনে নির্যাতিত সাংবাদিকের পরিবার ও তার সহকর্মী সাংবাদিকবৃন্দ এ আয়োজন করেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত নির্যাতিত সাংবাদিকের পরিবার জানান, রাজধানীর পুরান ঢাকার ২নং আলি নেকী দেউড়ি, সাতরওজা আবুল ওলাইয়া খানকার ভ-পীর আওসাফ এলাহী (২২) ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী  গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভ-পীরের আস্তানায় ডেকে নিয়ে আশেক হোসাইনকে ৩ দিন আস্তানার ভেতর আটকে রেখে নির্মমভাবে নির্যাতন করে। পরে ৮ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে কোর্ট প্রাঙ্গন এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ভ-পীর  আওসাফ এলাহীকে প্রধান আসামী করে তার সহোযোগী ১২জনের বিরুদ্ধে বংশাল থানায় একটি  মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নং- ১৭/১৫৬। নির্যাতিত সাংবাদিকের পরিবার আরও বলেন, বর্তমানে  মামলার আসামীরা জামিনে মুক্ত হয়ে মামলার বাদী ও বাদীর পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করছে। এতে  মামলার বাদীসহ বাদীর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, এই ভ-পীর আওসাফ এলাহী মানুষকে চাকরী দেয়া থেকে শুরু করে নানান ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে  মানুষকে প্রতারিত করছেন। ভ-পীরের রয়েছে বিভিন্ন আস্তানা যেখানে সর্বপ্রকার অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়ে আসছে। আর এসব বিষয়ে তাকে সহায়তা করছেন উপর মহলের কতিপয় কিছু ব্যক্তি। তাদের মধ্যে অন্যতম মেজর মাহমুদ। জানা যায়, তিনি এই মামলার বিষয়েও বংশাল থানার ওসিকে বেশ জোর সুপারিশ করেছিলেন মামলা না নিতে। তাছাড়া এনএসআই এর সহকারী পরিচালক দাবীদার ফাহামি নামের এক ব্যক্তি স্ব-শরীরে থানায় ভন্ডপীরের পক্ষে তদবিরে আসেন যাহার ভিডিও চিত্র রয়েছে।

এ বিষয়ে  ভন্ড পীর আওসাফ এলাহীর প্রধান খাদেম মুসা মিয়া ভ-পীরের বিভিন্ন অপকর্মের কথা স্বীকার করে বলেন, ভ-পীর আওসাফ এলাহীর নিদের্শে ইতিপূর্বেও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান জামিল যার নামে অস্ত্র মামলাসহ বিভিন্ন থানায় আনুমানিক ১৪/১৫টি মামলা রয়েছে, তার নেতৃত্বে আলমগীর নামের এক ব্যাক্তিকে কুলিয়াচর থেকে পীরের গাড়িতে ওঠিয়ে এনে পীরের আস্তানায় নির্মম ভাবে শারীরিক নির্যাতন চালায়। একইভাবে মোস্তাক নামে আরেক ব্যাক্তিকেও এলিফ্যান্ট রোড থেকে ওঠিয়ে এনে তার আস্তনায় নির্মম ভাবে নির্যাতন করে যার প্রেক্ষিতে উভয় ব্যাক্তই  দীর্ঘ  ৬ মাসের মতো মেডিকেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আওসাফ এলাহীর  এরুপ বিভিন্ন অপকর্মের জন্য এখন তিনিও দরবার ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

 

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ