ঝিনাইগাতীতে খাদ্যগুদামের নিরাপত্তা প্রাচীর সংস্কারে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

Spread the love

নাঈম ইসলাম, শেরপুর প্রতিনিধিঃ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে খাদ্যগুদামের নিরাপত্তা প্রাচীর সংস্কার কাজে নিম্নমানের রড, ইট, খোয়া, বালু ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংস্কার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন জামালপুরের আঞ্চলিক রক্ষণাবেক্ষণ কর্মকর্তা তপন কুমার দাস।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ‘মুসলিমা এন্টারপ্রাইজ’ সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য বিভাগের প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ঝিনাইগাতী সরকারী খাদ্যগুামের দুইপাশে ৩০০ ফুট সীমানা প্রাচীর সংস্কার, সেফটি ট্যাংকি, দুইটি গেট নির্মাণ কাজ চলছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নিরাপত্তা প্রাচীর সংস্কার কাজের প্রায় ৫০ ভাগ শেষ করে সিমেন্টের পলাস্তারা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৩০ফুট নিরাপত্তা প্রাচীরের পুরানো অংশ না ভেঙ্গে তার উপরেই সিমেন্টের পলাস্তারা কাজ করা হচ্ছে। খাদ্যগুদামের উত্তর পার্শে¦ ঝিনাইগাতী-ধানশাইল সড়ক সংলগ্ন প্রায় ১৫০ ফুট নিরাপত্তা প্রাচীর নিম্নমানের ইট ব্যবহার করে নিচের অংশের গাঁথুনির কাজ শেষ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও মানবাধিকার কর্মী মো. আক্তার উজ্জামান জানান, ‘নিরাপত্তা প্রাচীর নির্মাণে খুব নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। তা দেখার কেউ নেই। সংশ্লিষ্ট কৃতপক্ষের নিকট দরপত্র অণুযায়ী নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করার জন্য দাবি করেন তিনি।’

নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে এমন তথ্য জানতে চাইলে উপজেলা খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘নি¤œমানের কিছু ইট দিয়ে কাজ করতে চাইছিল। আমি বাঁধা দিয়ে কাজ বন্ধ করছি এবং নতুন আনতে বলেছি।’

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মুসলিমা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ গত ২মাস আগে কাজ শুরু করেছি। শুনেন ভাই আমি বলি আপনাদের সব জায়গাতেই সাংবাদিকরা আছে, আমি ফুডেরই কাজ করি। এতো কিছু প্রশ্ন করার দরকার নাই। আপনাদের কিছু আর্থিক দরকার আমি বুঝছি। আমার সাইটের ম্যানেজার আপনাদের (সাংবাদিক) খুশি করবে আমি বলে দিতাছি।’

জামালপুরের আঞ্চলিক রক্ষণাবেক্ষণ কর্মকর্তা তপন কুমার দাস বলেন, ‘আমি গত বৃহস্পতিবার গিয়ে নিম্নমানের ইটগুলো রিজেক্ট (বাতিল) করে কাজ বন্ধ করেছি। নতুন করে ইট এনে কাজ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।’

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ বলেন, ‘আমি বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

 

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ