কাশিয়ানীতে অস্ত্র ঠেকিয়ে ১ লক্ষ টাকা ছিনতাই

Spread the love

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:- রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টার সময় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের কাছে কাহার মাষ্টারের বাড়ির উত্তর পাশে চাপ্তা গ্রামের মৃতঃ সৈয়দ ইবাদত আলীর ছেলে সৈয়দ বরকত (২০)কে দিনের বেলা ফিল্মি স্টাইলে অস্ত্র ঠেকিয়ে ১ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সৈয়দ বরকত (২০) কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের রাতইল গ্রামের ৬ যুবকে আসামী করে কাশিয়ানী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযুক্ত আসামীগন হচ্ছেনঃ- (১) রাতইল গ্রামের মোঃ আক্কাস কাজীর ছেলে সুজন কাজী (২০), (২) মোঃ সিরাজ কাজীর ছেলে মেহেদী কাজী (২৫), (৩) মোঃ হায়াত মোল্যার ছেলে রাব্বী মোল্যা (২১), (৪) মৃতঃ ছিকি শেখের ছেলে সোহাগ শেখ (২১), (৫) ডেলিম সরদারের ছেলে মজি সরদার (২৫) ও (৬) লায়েক মীরের ছেলে মোঃ হাসিব মীর (২৮)।

কাশিয়ানী থানার এস.আই খন্দকার নাজমুল হুদা বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে আমি অভিযুক্ত প্রত্যেকটি আসামীদের বাড়িতে বাড়িতে যাই কিন্তু তারা এক জন ও বাড়িতে নেই। তিনি আরো বলেন অতিসত্বর ঘটনার সত্যতা প্রমানের পর তারা যদি অপরাধি হয় তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উক্ত ঘটনার ব্যাপারে সৈয়দ বরকত জানান, রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আমি ও আমার বন্ধু মোঃ হাসিব মিনা(১৯) মোটর সাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হই চন্দ্রদিঘলীয়া ইট কিনতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কিন্তু একটা জরুরি সনদপত্র সত্যায়িত করার জন্য আমরা রাতইল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে যাই। কাজ শেষ করে ফেরার পথে রাতইল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের পাশে কাহার মাষ্টারের বাড়ির কাছে আসলে আমাদের মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে রাতইল গ্রামের মোঃ আকরাম কাজীর ছেলে মোঃ সুজন কাজী (২০) আমাদের মোটর সাইকেল থেকে নামতে বলে। মোটর সাইকেল থেকে নামার সাথে সাথে মোঃ সুজন কাজী, মেহেদী কাজী, মজি সরদার ও হাসিব মীর আমাকে মারতে শুরু করে এবং আমার বন্ধু হাসিব মিনাকে রাকিব মোল্যা ও সোহাগ শেখ ধরে রাখে। মোঃ সুজন আমাকে মারতে থাকে আর বলতে থাকে যে মেহেদী ওর পকেট থেকে টাকা বের কর।
টাকা নিতে গেলে আমি বার বার বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করি এক পর্যায়ে সুজন কাজী তার পকেট থেকে পিস্তল বের করে অামার মাথায় ঠেকিয়ে বলে টাকা না দিলে তোকে এখানেই শেষ করে দিব। সুজন কাজী আমার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করার কথা বার বার বলতে থাকে পরে আমি ভয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা না করে চুপচাপ টাকা নিতে দেই। ওরা তখন আমার প্যান্টের পকেট থেকে নগদ এক লক্ষ (১,০০,০০০) টাকা নিয়ে যায়। পরবর্তিতে সে আমায় মারতে থাকে আর অকথ্য ভাষায় আমায় গালিগালাজ করতে থাকে। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে লোক আসছে দেখে তারা আমাদের রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায় স্থানীয় লোকজন এসে আমাদের উদ্ধার করে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ