basic-bank

কক্ষ দখল নিয়ে শাবি ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

কক্ষ দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) শাখা ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ থাকায় পুনরায় সংঘর্ষের আশংকা করছেন শিক্ষার্থীরা।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত দেড়টা থেকে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগেও গতবছরের আগস্টে অন্তত তিনবার সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগ, যার কারণে অন্তত ত্রিশজন আহত হয়েছিলেন এবং প্রশাসন হল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিল।

সূত্র আরো জানায়, বঙ্গবন্ধু হলের ৫০০৪ এবং ৫০২১ নং কক্ষ দখলকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম সবুজের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে সাজিদুল ইসলাম সবুজের সঙ্গে যোগ দেন সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সাঈদ, সহ-সভাপতি অঞ্জন রায় এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য হাফিজুর রহমান সমর্থিত কর্মীরা।

দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত চারজন আহত হন।

এর মধ্যে গুরুতর আহত সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম ইসলাম ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ১ম বর্ষের আবু হেনাকে রাতেই সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে নাঈম শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি অঞ্জন রায়ের অনুসারী ও আবু হেনা সহসভাপতি আবু সাঈদ আকন্দের অনুসারী বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তারা উভয়েই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, আংশিক একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। পরে তা মিমাংসা করা হয়েছে। অন্যদিকে যুগ্ম সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম সবুজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম স্বপন বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। এছাড়া হলগুলোতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক এসএম হাসান জাকিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।