basic-bank

রাস্তায় ধানের চারা লাগিয়ে জনতার প্রতিবাদ!

সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গত ক’দিনের প্রবল ঘন বর্ষণে গ্রামীণ জনপদের খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে।

গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার লালমাটি খ্যাত ধাপেরহাট ইউনিয়নের গ্রামীণ কাঁচা রাস্তাঘাট গুলো সাধারন জনতার চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরায়,রিক্সা ভ্যানতো দূরের কথা খালি পায়ে হেটেও চলা চল করা সম্ভব হচ্ছেনা। বিশেষ করে বকশীগঞ্জ এলাকার বোয়ালীদহ গ্রামের রাস্তা,ধাপেরহাট থেকে খামারপাড়া রাস্তা,ধাপেরহাট বিশ্বরোড থেকে রাঘবেন্দ্রপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের রাস্তা,বিশ্বরোডের আর,ভি কোল্ড স্টোরেজ হতে তিলকপাড়া গ্রামের রাস্তাসহ গ্রামীণ জনপদের বিভিন্ন রাস্তাঘাটের মোড় গুলিতে ১ হাটু থেকে ১ কোমর পর্যন্ত কাদা হয়েছে।অতিব জরুরি প্রয়োজন থাকলেও রাস্তাগুলি দিয়ে কোন ভাবেই চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। খেটে খাওয়া রিক্সা ভ্যান চালকগন তাদের রিক্সা ভ্যান গুটিয়ে ঘরে বসে দিন কাটাচ্ছে।

বিগত বছরগুলোতে যে রাস্তাগুলোয় বেশি সমস্য তৎকালীন জনপ্রতিনিধি অর্থাৎ ইউপি চেয়ারম্যান সাধারন মানুষের দুঃখ দূর্দশা লাঘবের জন্য নিজ দায়িত্বে ইটের গুড়া (রাবিশ) ফেলে সাধারন মানুষের চলাচলের কিছুটা হলেও ব্যবস্থা করে দিয়ে ছিলেন। কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যানের গ্রামীন এ সকল সমস্যার প্রতি কোন নজর নেই। বাধ্য হয়ে এলাকার প্রতিবাদী খেটে খাওয়া মানুষ চলা চল অযোগ্য রাস্তাগুলোতে দল বেধে ধানের চারা রোপণ করে প্রতিবাদ করছেন। তবুও যেন টনক নড়ছেনা কর্তৃপক্ষের। বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে যে ভাবে উন্নয়ন মুলক কাজে অগ্রসর হচ্ছেন কিন্তু স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসাবে তাদের দায়িত্ব হয়ে পড়েছে দায়সারা গোছের।

হাসানপাড়া গ্রামের হতদরিদ্র এনতাজ আলী জানান, ভোটের সময় হামার হেরে খুব দাম, এমপি হোক, চেয়ারম্যান হোক,বা মেম্বার হোক ভোটের পরে খুজেই পাওয়া যায় না। হামার হেরে দুঃখ দুঃখই থাকে। একই কথা বলেছেন তিলকপাড়া গ্রামের আমজাদ আলী। রাস্তা দিয়ে চলা চল করতে পারিনা একাধিক বার চেয়ারম্যানকে দেখতে ডেকেছি রাস্তার অতিরিক্ত কাদা দেখে চেয়ারম্যান সাহেব আসতে পারেনি। চেয়ারমান সাব আসার অপেক্ষায় দিনভর লোকজন নিয়ে বসে থেকে সন্ধার দিকে নিরাশ হয়ে ফিরে গেছে। এ হচ্ছে মোদের কপাল।

কথা হয় ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম নওশা মন্ডলের সাথে তিনি জানান ইটের গুড়া বা রাবিশ দেওয়ার মতো কোন সরকারি বরাদ্দ নেই। কোথা থেকে দেব। তবে আশাবাদ ব্যাক্ত করে বলেছেন দেখি ইউ,এন,ও স্যারকে বলে কিছু করতে পারি কি না।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।